মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১১:১১ অপরাহ্ন

ভাঙা কালভার্টে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, দুর্ঘটনার শঙ্কা!

ভাঙা কালভার্টে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, দুর্ঘটনার শঙ্কা!

স্টাফ রিপোর্টার:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ইউনিয়নের বাউসমারা গ্রামের একটি ভাঙা কালভার্ট উপর দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে  শত শত যানবাহন চলাচল করছে। সেতুর মাঝামাঝি স্থান দেবে গেছে। গার্ডার ও রেলিংয়ের আস্তরও খসে পড়ছে। যে কোনো সময় সেতুটি ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের বাউসমারা গ্রামে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫০ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু  নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মো. ইউনুছ অ্যান্ড ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেড। সেতুটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় খসে পড়ছে আস্তরণ ও ভেঙে যাচ্ছে র‌্যালিং।

এছাড়া নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কালভার্টটি নির্মাণ করায় মাঝখান দিয়ে দেবে গেছে। জীবিকার প্রয়োজনে উপজেলা শহর ভৈরবসহ আশপাশে এলাকার সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম একটি সড়ক হিসেবে সেতুটি ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও ভৈরব-মেন্দিপুর সড়কের সাদেকপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের উত্তরপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন বঙ্গসর সেতুর রেলিং ভেঙে কয়েক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ হওয়ায় নির্মাণের ৪বছরের মাথায় সেতুর মাঝখানে দেবে যায়। যার ফলে চরম ভোগান্তি শিকার হয়েছে গ্রামবাসী। শুধু তাই নয় সেতুটির গার্ডার, রেলিংয়ের প্লাস্টার খসে পড়ছে। সেতুটির কাজ সিডিউল অনুযায়ী না হওয়ায় শুধু শুধু সরকারের অর্থির অপচয় হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। স্থানীয় অটোরিকশা চালক হেদায়েত মিয়া বলেন, জীবন হারানো ভয় নিয়ে এই সেতু দিয়ে যাত্রী পারাপার করি। যখন যাত্রী নিয়ে যখন সেতুর ওপর দিয়ে পার হই তখন যাত্রীরা রিকশা থেকে নেমে পায়ে হেঁটে পার হয়ে আবার রিকশায় ওঠে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাগর হোসেন সৈকত সংবাদ সারাবেলাকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি তালিকা করে পুন:নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সেখানকার অনুমতি পাওয়ার পর টেন্ডারের মাধ্যমে পুন:নির্মাণ করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2021
Design By Rana