বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

ভৈরবে মেঘনার ভাঙনে বসত ঘর বিলীন ॥ দিনভর উদ্ধার অভিযানে নিখোঁজ ২ জনের সন্ধান মেলেনি॥ উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত

ভৈরবে মেঘনার ভাঙনে বসত ঘর বিলীন ॥ দিনভর উদ্ধার অভিযানে নিখোঁজ ২ জনের সন্ধান মেলেনি॥ উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত

এম.এ হালিম,বার্তাসম্পাদক ॥

ভৈরবে মেঘনা নদীর তীব্র স্্েরাতে ৩টি বসত ঘর নদী গর্ভে বিলীন ও চাতাল মিলের শ্রমিক ও মিস্ত্রীসহ ২ জন নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ায় রোববার দিনভর উদ্ধার অভিযানে তাদের সন্ধান মেলেনি। দিনভর উদ্ধার অভিযান শেষে রোববার সন্ধ্যায় ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে । এদিকে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে নদীর তীড়ে চাতাল মিল মালিক ও বসবাসরত কয়েক শত শ্রমিকদের । স্বজনদের দাবি তারা যেন তাদের সন্তানদের মরদেহ ফিরে পায় ।এদিকে রোববার বিকাল ৫ টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাংসদ ও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন । এ সময় তিনি নিখোজঁ মোস্তাক ও শরীফের পরিবারের হাতে সরকারের পক্ষ থেকে ২০ হাজার কওে ৪০ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং ভাঙনরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রƒত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ,সহকারি কমিশনার ( ভ’মি) মোঃজুলহাস হোসেন সৌরভ, জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা সোলায়মান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু,পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি এস.এম বাকি বিল্লাহ ও সাধারন সম্পাদক আতিক আহমেদ সৌরভ প্রমূখ ।
স্থানীয়রা ও চাতাল শ্রমিকরা জানান, রোববার সকাল ৮ টার দিকে মেঘনা নদীর প্রবল ¯্রােতে হঠাৎ করে চাতাল শ্রমিকদের ৩টি বসত ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় । এ সময় ঘরে বসবাসরত শ্রমিকরা অনেকে প্রাণ বাচাঁতে ঘর থেকে বেরিয়ে এলে ও বসত ঘর থেকে আসবাব পত্র সরিয়ে আনতে নিখোঁজ ২ জন ঘরে ঢুকলে বসত ঘর ভাঙনের সাথে তারা ও নদী গর্ভে তলিয়ে যায় । পরে খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম উদ্ধার অভিযানে নামে । নিখোঁজ ২ জন হলেন রহমত রাইছ মিলের চাতাল শ্রমিক মোস্তাক ও মিস্ত্রী শরীফ । তাদের গ্রামের বাড়ি বাজিতপুরের আয়নাগোফ বলে জানা গেছে । নিখোঁজ ২ জনকে উদ্ধারে ভৈরব ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে । এখনো পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা যায়নি । খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌছে পরিদর্শন করেছে ।
এ বিষয়ে ভৈরব চেম্বার অব কমার্সেও সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজি মোঃ মোশারফ হোসেনসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নদী ভাঙনের জন্য ভৈরব বিআইডব্লিউটিএর অপরিকল্পিতভাবে রাইসমিল সংলগ্ন ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালি উত্তোলনের জন্য দায়ী বলে মনে করছেন ।

এ বিষয়ে ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন মাষ্টার আজিজুল হক রাজন জানান, দিনভার উদ্ধারে েেনমে তাদেও সন্ধান মেলেনি । উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করা হয়েছে । ধারণা করা হচ্ছে বসতঘরের নীচে চাপা পড়ে মরদেহ আটকে আছে ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2021
Design By Rana