মঙ্গলবার, ০৫ Jul ২০২২, ০১:২৯ অপরাহ্ন

দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত রাজপথ

দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত রাজপথ

একুশে ডেস্ক:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আরও দেড় বছর। এর আগেই হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনীতির মাঠ। ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে দুদিন ধরে দফায় দফায় হয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

এদিকে আগামী দিনে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রদল। অপরদিকে যে কোনোভাবে ছাত্রদলকে প্রতিহতের ডাক দিয়েছে ছাত্রলীগ। আজ ও কাল সারা দেশে ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ রয়েছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আরও ভয়াবহ সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন অনেকে। আপাতদৃষ্টিতে এসব ঘটনাকে দুই ছাত্র সংগঠনের শক্তি প্রদর্শনের মহড়া বলা হচ্ছে। কিন্তু এর নেপথ্যে বিএনপির বড় আন্দোলনের আভাস ও ক্ষমতাসীনদের তা প্রতিহতের বার্তা রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। তারা আতঙ্কে আছে কখন সরকারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথ উত্তাল হয়ে উঠে। তাই ভয় থেকে তারা এ হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, এভাবে মামলা-হামলা দিয়ে বিরোধী দলকে রাজনীতির মাঠ থেকে সরানো যাবে না।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বিএনপির উদ্দেশে বলেন, সবকিছুর মধ্যে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার যে মানসিকতা প্রকারান্তরে এটি বিরাজনীতিকরণকে উৎসাহিত করে। জনগণের ওপর তাদের আস্থা নেই, জনসমর্থন নেই, সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। নানা কারণে তারা হতাশার সাগরে নিমজ্জিত।

সেজন্যই তারা নানাবিধ কথা বলে। এ কথাগুলো আমরা কখনো বিবেচনায় নেই না, গুরুত্বও দেই না। তিনি বলেন, এরসঙ্গে জাতীয় নির্বাচন বা রাজনীতির কিছু নেই। এখানে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততারও কোনো সুযোগ নেই।

এদিকে হঠাৎ করে রাজনীতি সংঘাতময় হয়ে উঠায় উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক মহল, সুশীল সমাজসহ বিশিষ্টজনরা। প্রধান দুদলের এমন মুখোমুখি অবস্থানকে অনাকাক্সিক্ষত ও দুঃখজনক বলে মনে করছেন তারা। এভাবে চলতে থাকলে সামনের দিনগুলোতে সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা আরও বাড়তে পারে। তাই এ মুহূর্তেই দলগুলোকে সহিংস রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে। না হলে টালমাটাল অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2021
Design By Rana