শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ১০:২০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কুলিয়ারচরের ফরিদপুরে খালটের রাস্তার দুইপাশ দখলদারদের কবলে কটিয়াদী সরকারি কলেজে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান গ্রামের বাজারে কচুর লতি বিক্রি করে ভাইরাল অধ্যাপক হোসেনপুরে ট্রাক্টর চাপায় শিশুর মৃত্যু বাবার রাজনৈতিক আদর্শে উদ্বেলিত হয়ে যুবদল থেকে সরে দাড়ালেন পুত্র শাহীন পাকুন্দিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু করিমগঞ্জে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রধানমন্ত্রীই পারেন জনগণের সকল প্রত্যাশা পুরণে -কিশোরগঞ্জে চিত্র নায়ক কাঞ্চন পাকুন্দিয়ায় সরকার নির্ধারিত মূল্যে ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু সাংবাদিক শিরিন হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিভাগে যমজ দুই বোন

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিভাগে যমজ দুই বোন

একুশে ডেস্ক: টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রায় কাছাকাছি নম্বর পেয়ে একই বিভাগে ভর্তি হয়েছে যমজ দুই বোন।

ঠিকাদার বাবা এনামুল হক তালুকদার ও গৃহিণী মা আফরিনা আফরিনা দম্পতির ঘর আলো করে ২০০২ সালের ২১ জুলাই জন্ম নেয় যমজ সন্তান ইসরাত জাহান প্রিয় ও নুসরাত জাহান স্বপ্ন।

এর আগে স্কুল জীবনে দুই বোনই টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তারা উভয়ই টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজ থেকে প্রায় কাছাকাছি জিপিএ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। যেখানে প্রিয় ৪.২৫ ও স্বপ্ন ৪.১৭  জিপিএ পান।

এবারের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ১ম বর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে ৪৩ ও ৪২.৫ পেয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন প্রিয় ও স্বপ্ন।

দুই বোনের জন্মসময় ও চেহারার মিল থাকার পর স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফলাফলেও এত মিল থাকাটা তাদের দুই বোনকেও অবাক করে বলে জানায় তারা।

ইসরাত জাহান প্রিয় বলেন, দুই বোনের একসঙ্গে এক জায়গায় পড়ার সুযোগ হয়েছে এতে আমাদের থেকে বাবা ও মা বেশি খুশি হয়েছেন। তারা এমনটা চাইতেন সবসময়। আমরা ছোটবেলা থেকেই প্রায় একই রকমভাবে বড় হয়েছি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হলেও আমরা মিলে গেছি তাড়াতাড়ি।

নুসরাত জাহান স্বপ্ন বলেন, আমাদের দুই বোনের স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় এক হওয়াটা খুব স্বাভাবিক মনে হলেও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে দুই বোনের চান্স হবে তা কখনো ভাবিনি। এই বিষয়টা আমাদের কাছেও অবিশ্বাস্য মনে হয়। প্রয়োজনীয় সকল কিছুই আমাদের দুই বোনের একই হয়, সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগটিও একই হলো। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে চান্স পাওয়ায় আমরা ভীষণ খুশি।

এ বিষয়ে মা আফরিনা আফরিনা বলেন, আমার যমজ দুই মেয়ে স্কুল, কলেজের পর এবার একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে চান্স পেয়েছে এতে আমি ভীষণ খুশি হয়েছি। এ আনন্দ বলে প্রকাশ করার মতো নয়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2021
Design By Rana