বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০২:০৭ অপরাহ্ন

খুলনাকে হারিয়ে টানা জয়ের স্বাদ চট্টগ্রামের

খুলনাকে হারিয়ে টানা জয়ের স্বাদ চট্টগ্রামের

একুশে ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) টানা দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ গড়ে ২৫ রানের জয় পেয়েছে তারা। প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া খুলনা নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দেখলো হারের মুখ। তিন ম্যাচে দুই জয়ে শীর্ষস্থানে জায়গা করে নিলো চট্টগ্রাম।

আজ সোমবার বিপিএলের ষষ্ঠ ম্যাচে আগে ব্যাট করে সাত উইকেট হারিয়ে ১৯০ রানের সংগ্রহ গড়ে চট্টগ্রাম। জবাবে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তোলে খুলনা। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৪০ রানের সংগ্রহ আসে ইয়াসির আলী রাব্বির ব্যাট থেকে। বল হাতে চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেটের দেখা পান শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও রেজাউর রহমান রাজা।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় দ্রুত উইকেট হারালেও খুলনাকে রান তোলায় এগিয়ে রাখেন ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার। পাওয়ার প্লেতে ৪৫ তোলা খুলনা বড় ধাক্কা খায় পরের ওভারেই। কাঁধের উপরে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন ফ্লেচার। আগের ম্যাচের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রনি তালুকদারকে মাত্র সাত রানে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ।

চারে এসে শেখ মেহেদী হাসান ২৪ বলে ৫ চারের সাহায্যে খেলেন ৩০ রানের ইনিংস। আর ফ্লেচারের কনকাশন সাব হয়ে আসা সিকান্দার রাজা করেন ২২ রান। শেষের দিকে খুলনাকে একাই টেনে নেন ইয়াসির আলী রাব্বি। এক প্রান্তে ব্যাটারদের নিয়মিত বিদায়ের পরও অন্য প্রান্তে দৃঢ়তা দেখান তিনি। ২৬ বলে ৪০ করা এই ব্যাটারকে দ্বিতীয় শিকার বানিয়ে থামান শরিফুল ইসলাম। এরপর আর কেউই তেমন অবদান রাখতে পারেননি। কামরুল ইসলাম রাব্বির ৭ বলে ১৪ রানে ভর করে ২৫ রানের ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ে খুলনা।

এর আগে, ইনিংসের প্রথম বলেই চার দিয়ে রানের খাতা খোলেন কেনার লুইস। বাকি লড়াইটা করেন উইল জ্যাক। প্রথম ওভারে সোহরাওয়ার্দী শুভর কাছ থেকে ২৩ রান আদায় করে নেয় এই যুগল। যদিও থিতু হওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন জ্যাক। দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে কামরুল ইসলাম রাব্বির শিকার হন তিনি। ৭ বলে ১ চার ও দুই ছয়ে ১৭ রান তোলেন তিনি।

আরেক ওপেনার লুইস ফেরেন দলীয় ৫২ রানে। ১৪ বলে ২৫ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন এই ব্যাটার। তার আগে ২১ বলে দলীয় অর্ধশতকের দেখা মিলে চট্টগ্রামের। দ্রুততম দলীয় ফিফটির পর পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ রানও তোলে চট্টগ্রাম। দুই উইকেট হারিয়ে ৬৪ রান তোলে তারা।

তিনে আসা আফিফ হোসেনের সঙ্গে সাব্বির রহমানের জুটিটা বড় হয়নি। দু’জনের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটের শিকার হন আফিফ (১৫)। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে দারুণ জুটি গড়েন সাব্বির। এই যুগলের ৪৮ রানের জুটি ভাঙলে সাজঘরে ফেরেন মিরাজ। ২৩ বলে ৩০ রান করে নাভীন উল হকের শিকার হন তিনি।

এরপর ফেরেন সাব্বিরও। ৩২ বলে ৩৩ রান করে ফরহাদ রেজার শিকার হন এই ব্যাটার। তবে শেষের দিকে আগের ন্যায় জ্বলে উঠেন বেনি হাওয়েল। একের পর এক চার ছয়ে দলকে নিয়ে যান বিপিএলর সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের পথে। ২০ বলে চার বাউন্ডারি ও এক ছয়ে ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। নাইম ইসলাম করেন ৫ বলে করেন ১৫ রান।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2021
Design By Rana