রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জে দীর্ঘ ৪৮ বছর পর আলোর মুখ দেখছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

কিশোরগঞ্জে দীর্ঘ ৪৮ বছর পর আলোর মুখ দেখছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

জোনায়েদ হোসেন জুয়েল,সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের ৫নং যশোদল ইউনিয়নে দীর্ঘ  ৪৮বছর পর আলোর মুখ দেখছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

জেলা সদরের ৫ যশোদল ইউনিয়ন যেখানে অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রতি সহ বহু গুণীজনের জন্ম স্থান ৷ যশোদলের ১নং ওয়ার্ড যাহা মনিপুরের কিছু অংশ, কাটাখালি ও বাসুরদিয়া তিনটি এলাকায় প্রায় ৫ হাজার লোকের বসবাস৷ কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যেখানে দেশের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডে ২ থেকে ৩টি প্রাইমারী সহ উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে সেখানে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে যশোদল ১নং ওয়ার্ডে কোন স্কুল গড়ে উঠে নাই।

জানাযায়, এলাকাবাসীর উদ্যোগে ২০১৪ সালে ৩৩শতাংশ জমি শিক্ষা সচিবের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার পরেও বিদ্যালয়টি স্থাপন হয় নাই৷এই এলাকার শিশুদের কে পাশ্ববর্তী কোন স্কুলে ভর্তি করাতে পারেনি বা করতে চান না ৷ অবশেষে এলাকা বাসীর উদ্যোগে ১৭-১২-২১ইং তারিখে বিদ্যালয় করার বিষয়ে আলোচনা ও স্কুলের ভিত্তি স্থাপন করা হয়৷ বর্তমানে ১নং ওয়ার্ডে চারশ থেকে পাঁচশত শিশু স্কুলে ভর্তি হওয়া বয়স হয়েছে। স্কুলটি স্থাপন করার ক্ষেত্রে ৩৩শতাংশ জায়গার মধ্যে হারুন অর রশিদ এর তিন ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন (৪০)দেন ২০শতাংশ, আরশাদ আলী(৫৫)দেন ৬শতাংশ,আশরাফ উদ্দিন দেন৬শতাংশ,আবুল হেলিমের ছেলে আবুবকর সিদ্দিন দেন ১শতাংশ ৷

এই বিষয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠাতা সম্মানিত কার্যকরী কমিটির সভাপতি ও দাতা সদস্য মোঃ আলমঙ্গীর হোসেন বলেন কেন? ৫০ বছর লাগল একটি স্কুল প্রতিষ্ঠান করতে ৷ হারুন অর রশিদ আব্দুল হেলিম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যকরি কমিটির সাধারন সম্পাদক ও দাতা সদস্য মোঃ আশরাফ আলী বলেন এতদিন পর বিদ্যালয় হয়েছে এতেই আমি ও এলাকাবাসী সবাই খুশি এবং স্কুলের কার্যকরী কমিটি ক্যাশিয়ার মোঃ ফরিদ মিয়া বলেন স্কুলটি দীর্ঘ দিনে প্রত্যাশা ছিল আমাদের এলাকা মানুষের যা পূরণ হয়েছে ৷ স্কলটি স্থাপন করার ক্ষেত্রে এলাকাবাসী যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন ৷

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2021
Design By Rana