বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

মাছের সাথে এ কেমন শক্রতা!

মাছের সাথে এ কেমন শক্রতা!

আমিনুল ইসলাম বাবুল :

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের সাজিয়া কাউনিয়া জলমহালে পূর্ব শক্রতার জেরে রাতের আধারে মাছের সাথে শক্রতা করে প্রায় ৩৫.৩৪ একর জলাশয়ে বিষ দিয়ে এলাকার দুর্বৃত্তরা মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিষ প্রয়োগে ঘটনায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ভেসে উঠছে পানিতে। এ ঘটনায় আনুমানিক ৫/৬ লক্ষাধিক টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। মাছ মরে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে সাজিয়া কাউনিয়া জলমহালের ইজারাদার মো. আবুল বাশার বাদলসহ তাঁর সহযোগি অংশীদারগণ।

দিগদাইড় গ্রামের আধিপত্য ঘটনার জের ধরে রবিবার (১২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতের আঁধারে কে বা কারা মাছ চাষের জলাশয় সাজিয়া কাউনিয়া বিলে বিষ প্রয়োগ করায় মাছ মরে পানিতে ভেসে উঠছে।

স্থানীয়রা ও বিলের ইজারাদার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের দিগদাইড় গ্রামের “পূর্ব দিগদাইড় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লি:” এর সভাপতি মৎস্য চাষি মো. আবুল বাশার বাদল। তিনি বাড়ির পাশের ৩৫.৩৪ একর ‘সাজিয়া কাউনিয়া’ নামে জলমহালটি বিধিমোতাবেক সরকারি নিয়ম অনুয়ায়ি ৩২ লক্ষ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ৩ বছরের জন্য ইজারা গ্রহণ করেন।

প্রতিদিনের মতো রবিবার মধ্যরাতে ইজাদার মো. আবুল বাশার বাদল তার বাড়িতে এসে এবং জলমহালের পাহারাদার বিলের দক্ষিণ-পূর্বপাড়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে ভোররাতে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ‘সাজিয়া কাউনিয়া’ জলমহালটিতে বিষ প্রয়োগ করে।
ভুক্তভোগী সাজিয়া কাউনিয়া জলমহালের ইজাদার মো. আবুল বাশার বাদল বলেন, একটি বিশেষ মহল বিভিন্নভাবে আমাদের ক্ষতি করার জন্য এ ধরনের কাজ করেছে।

গত ১২/১৩ দিন আগেও ওই মহলটির লোকজন আমাদের জলমহালের জাল, নৌকাসহ মাছ চাষের উপকরনাদী লোটত্বরাজ ও মাছ শিকার করিয়া নিয়া যায়। এতে আমাদের সমিতি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবার অভিযোগ পত্র দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জয়নাল আবেদীন সরকার বলেন, ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে সংবাদ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2021
Design By Rana