সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন

রোজায় নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার আশ্বাস ব্যবসায়ীদের

রোজায় নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার আশ্বাস ব্যবসায়ীদের

একুশে ডেস্ক :

আসন্ন রোজায় নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার আশ্বাস দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বাজারে পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে ব্যাংকগুলোকে ঋণপত্র খুলতে পর্যাপ্ত ডলার ব্যবস্থা রাখা, কাস্টমসের অযাচিত হয়রানি বন্ধ এবং পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই ভবনে রোজায় নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম স্থিতিশীল রাখতে  মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়, সেখানে ব্যবসায়ীরা এই আশ্বাস দিয়েছেন। এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় কাঁচাবাজার, পেঁয়াজ, তেল, লবন, চিনি, ফল আমদানিকারকরা অংশ নেন।

স্বাগত বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুব আলম বলেন, ব্যবসায়ীরা দেশের প্রাণ। ব্যবসায়ীরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে, তাই দেশ এত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের একটা দায়িত্ব আছে দেশের জন্য, জনগণের জন্য। ব্যবসায়ীরা মুনাফা করবে এটা স্বাভাবিক। কেউ লস করে ব্যবসা করবে না। কিন্তু অনৈতিক মুনাফাও মেনে নেওয়া হবে না। দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে, এক শতাংশের কম ব্যবসায়ীর জন্য পুরো ব্যবসায়ী সমাজের বদনাম হয়। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এরা ফায়দা লুটছে। ভারত ঘোষণা দেয়ার পরপরই দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কীভাবে?

মাহবুবুল আলম বলেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পণ্যের দাম বেড়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বলা হয় ডলার মূল্য ১১০ টাকা, কিন্তু এলসি খুলতে ডলার ১২০-১২২ টাকা রাখা হয়। তাছাড়া দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণে রাখতে অর্থ, বাণিজ্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে হরতাল-অবরোধের কারণে প্রতিদিন যেখাতে ২ থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হতো, এখন সেখানে প্রতিদিন ৬ থেকে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগে নিত্যপণ্যের সঠিক পরিসংখ্যান থাকা জরুরি। কোন পণ্যের চাহিদা কতো তা নিরূপন করতে হবে। প্রয়োজনে ভোগ্যপণ্যের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় করা যেতে পারে। যেখানে ভোগ্যপণ্য উৎপাদন বা আমদানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা তাদের সমস্যার কথাগুলো জানাতে পারেন।

কাঁচামাল আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি ইমরান মাস্টার বলেন, সুষ্ঠু বিপণন ব্যবস্থার অভাবে বাজারে এ ধরনের অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়। তবে আগামী রমজান শীত মৌসুমে হওয়ায় বাজারে শাকসবজির সংকট সৃষ্টি হবে না বলে মনে করেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2021
Design By Rana